আমাকে ব্লক করো না

আমাকে ব্লক করো না কুইজ: কোন বন্ধু তোমার লিস্টে থাকার যোগ্য?

কুইজ বানাও

সাইনআপ নেই · যেখানে খুশি শেয়ার করো

মেসেঞ্জার গ্রুপে সবাই আছে, কিন্তু কে তোমাকে আসলে চেনে আর কে শুধু সিন দিয়ে চুপ করে থাকে? আমাকে ব্লক করো না কুইজ ঠিক এই প্রশ্নটার মজার জবাব দেয়। তুমি নিজের সম্পর্কে ১০টি প্রশ্নের উত্তর দাও, একটা লিংক পাও, আর সেটা গ্রুপে ছুড়ে দাও। এরপর বন্ধুরা একে একে অনুমান করে তুমি কী উত্তর দিয়েছ। যে কম স্কোর করে, তার রেজাল্ট পাতায় ভেসে ওঠে চ্যাটের মতো একটা ব্লক মেসেজ। যে বেশি স্কোর করে, সে পায় "কখনো ব্লক না" খেতাব।

এটা বাংলাদেশ আর পশ্চিমবঙ্গের কিশোর আর কলেজপড়ুয়াদের মধ্যে জনপ্রিয় হওয়ার কারণ সহজ: ব্লক করা নিয়ে আমাদের সবার একটা নাটক আছে। কেউ রাগ করে ব্লক দেয়, কেউ আনব্লক করে আবার মেসেজ দেয়, আর কেউ শুধু হুমকি দিয়ে রাখে। এই কুইজ সেই হুমকিটাকে একটা খেলায় বদলে দেয়, যেখানে আসলে কেউ ব্লক হয় না, কিন্তু সবাই নিজের অবস্থান জেনে যায়।

কুইজ বানাতে এক মিনিটের বেশি লাগে না, অ্যাপ নামাতে হয় না, কোনো টাকা লাগে না। স্কোরবোর্ডে তুমি দেখতে পাও কে কত পেল, কে কোন প্রশ্নে আটকে গেল, আর কার সাথে এবার একটু বেশি আড্ডা দেওয়া দরকার।

1 নিজের সম্পর্কে ১০টি প্রশ্নের উত্তর দাও
2 গ্রুপ চ্যাটে তোমার লিংকটা শেয়ার করো
3 দেখো কে জায়গা পায় আর কে পায় ব্লক মেসেজ

আমাকে ব্লক করো না কুইজ আসলে কী, আর কাদের জন্য?

এটা একটা বন্ধু-পরীক্ষা, যার মোড়ক ব্লক-নাটকের। তুমি কুইজের মালিক, বন্ধুরা খেলোয়াড়। প্রশ্নগুলো তোমার পছন্দ-অপছন্দ, অভ্যাস আর ছোটখাটো গোপন কথা নিয়ে, যা শুধু কাছের মানুষ জানে।

স্কুলের শেষ বছরের ব্যাচ, ভার্সিটির হলের রুমমেট, কোচিংয়ের গ্রুপ, বা যে মেসেঞ্জার গ্রুপে রাত দুটো পর্যন্ত কথা চলে, সবখানে এটা চলে। যারা তোমাকে চেনে বলে দাবি করে, তাদের সেই দাবি যাচাই করার সবচেয়ে ঝামেলাহীন রাস্তা এটাই।

আমাকে ব্লক করো না কুইজের ছবি: একটি নিষিদ্ধ চিহ্ন, একটি মোবাইল ফোন, একটি অনুনয় করা মুখ আর একটি কথার বুদবুদ

কুইজটা বানিয়ে বন্ধুদের কাছে পাঠাব কীভাবে?

প্রথমে তোমার নাম লেখো, তারপর ৬৬টি প্রশ্নের ভাণ্ডার থেকে সাইট তোমাকে ১০টি প্রশ্ন দেয়। কোনোটায় দুটো অপশন, কোনোটায় দশটারও বেশি; তুমি নিজেরটা বেছে নাও। শেষে একটা লিংক তৈরি হয়, সেটা কপি করো বা সরাসরি মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ বা ইনস্টাগ্রামে পাঠাও।

বন্ধু লিংক খুললে একই ১০টি প্রশ্ন দেখে, কিন্তু তোমার জায়গায় তার কাজ অনুমান করা। শেষে সে ১০-এ কত পেল তা দেখে, সাথে তার স্কোর অনুযায়ী তোমার পক্ষ থেকে একটা রিপ্লাই। সব স্কোর তোমার স্কোরবোর্ডে জমা হতে থাকে।

কুইজে কী ধরনের প্রশ্ন আসে?

প্রশ্নগুলো হালকা, কিন্তু উত্তর জানতে হলে সত্যিই তোমার সাথে সময় কাটানো লাগে। কয়েকটা উদাহরণ, যেগুলো নিয়ে গ্রুপে তর্ক লাগবেই:

  • ফুচকায় তেঁতুলের টক বেশি না কম, তুমি কোন দলে?
  • তোমার প্রিয় কার্টুন কি শিনচ্যান না ডোরেমন?
  • পরীক্ষার আগের রাতে পড়ো, নাকি পাঁচ মিনিট আগে?
  • মেসেজ লেখো একটানা ছোট ছোট, নাকি একটা লম্বা প্যারা?
  • তোমার টাকা সবচেয়ে বেশি কোথায় উড়ে যায়, খাবারে না জামায়?

কেউ আমাকে সত্যি ব্লক করেছে কি না, কুইজ কি তা বলতে পারে?

না, আর কোনো সাইটই পারে না। মেসেঞ্জার বা হোয়াটসঅ্যাপে কেউ ব্লক করলে তুমি তার প্রোফাইল ছবি দেখো না, মেসেজ ডেলিভার হয় না, কল যায় না। কিন্তু নেট না থাকলে বা প্রাইভেসি সেটিং বদলালেও একই জিনিস দেখা যায়, তাই নিশ্চিত হওয়ার উপায় নেই। এই কুইজ সেই গোয়েন্দাগিরি করে না; এটা শুধু জানায় কোন বন্ধু তোমাকে কতটা চেনে, বাকিটা মজা।

বাংলাদেশে এই কুইজ এত শেয়ার হয় কেন?

কারণ ব্লক শব্দটা আমাদের চ্যাট সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে। "ব্লক দিবো কিন্তু" বলে কতবার কাউকে ভয় দেখানো হয়েছে, আর প্রতিবারই সেটা মজার ছলে। এই কুইজ সেই মজাটাকে একটা স্কোরবোর্ডে বসিয়ে দেয়।

ঈদের ছুটিতে যখন সবাই গ্রামে বা বাড়িতে, গ্রুপ চ্যাটে কেউ একজন লিংক দিলেই খেলা শুরু। রিইউনিয়নের আগে কে কাকে ভুলে গেছে তা ধরার জন্যও অনেকে এটা ব্যবহার করে। আর ক্লাস ফাঁকি দিয়ে টিএসসির চায়ের আড্ডায় বসে ফোনে একে অপরের স্কোর দেখানো, সেটা তো আলাদা আনন্দ। আসল ব্লক হয় না, কিন্তু যে ৩ বা তার কম পায়, তাকে অনেক দিন খোঁচা শোনাতে হয়।

বন্ধুদের উত্তর কীভাবে দেখব?

  1. কুইজ বানানোর পর তোমার শেয়ার পেজে “স্কোর দেখো 🏆” চাপো। প্রত্যেক বন্ধুর স্কোর দেখবে, আর 👁️ চাপলে তাদের উত্তর।
  2. ওই পেজে “স্কোর দেখার তোমার প্রাইভেট লিংক” কপি করে রেখে দাও, যেমন নোটসে। এটা যেকোনো অ্যাপ বা ব্রাউজারে তোমার স্কোর খুলে দেয়।
  3. নিজের বন্ধু-লিংক খুলে নিজে উত্তর দিও না: ওই লিংক বন্ধুদের জন্য। সাইট তোমাকে চেনে শুধু সেই অ্যাপে যেখানে কুইজ বানিয়েছ, অথবা তোমার প্রাইভেট লিংক দিয়ে।

আমাকে ব্লক করো না কুইজ নিয়ে যা জানতে চাও

আমাকে ব্লক করো না কুইজ কি সত্যি কাউকে ব্লক করে?

না, একদমই না। কম স্কোর পেলে বন্ধুর স্ক্রিনে শুধু চ্যাটের ধাঁচে একটা মেসেজ আসে, যেখানে বলা থাকে তার তোমাকে আরও ভালো চেনা দরকার। তোমার মেসেঞ্জার বা হোয়াটসঅ্যাপের কিছুই বদলায় না। পুরোটাই মজা; তবে একই ফোন থেকে লিংকটা একবারই খেলা যায়, তাই প্রথম স্কোরটাই থাকে।

কুইজে কত পয়েন্ট পেলে ব্লক হয়?

১০-এ ৩ বা তার কম পেলে রেজাল্ট পাতায় "ব্লকড" লেখা ওঠে। ৪ থেকে ৬ পেলে বন্ধু "খাদের কিনারে" থাকে, মানে টিকে গেছে কিন্তু কষ্ট করে। ৭ বা তার বেশি পেলে সে "কখনো ব্লক না" খেতাব পায়, আর গ্রুপে সেটা দেখানোর অধিকারও পায়।

বন্ধুরা কি দেখতে পায় আমি কী উত্তর দিয়েছি?

শুধু খেলার সময়, একটা একটা করে: প্রতিটা আন্দাজের পরে সঠিক উত্তরটা দেখা যায়। এর বাইরে বন্ধু শুধু নিজের স্কোর আর স্কোরবোর্ডের সেরা দশজন দেখে। কোন প্রশ্নে কে ভুল করেছে, তা শুধু তুমি কুইজের মালিক হিসেবে খুলে দেখতে পারো। তাই রেজাল্ট নিয়ে খোঁচা দেওয়ার সুযোগটা তোমার হাতেই থাকে।

কুইজ বানাতে কি অ্যাকাউন্ট বা অ্যাপ লাগে?

কিছুই লাগে না। ব্রাউজারে সাইট খোলো, নাম লেখো, ১০টি উত্তর দাও, লিংক নাও। ফোন নম্বর, ইমেইল বা পাসওয়ার্ড চাওয়া হয় না। লিংকটা যতদিন খুশি কাজ করে, তাই আজ বানিয়ে ঈদের ছুটিতে গ্রুপে দিলেও চলবে।

একই কুইজ কি অনেকজন খেলতে পারে?

হ্যাঁ, প্রতিটা লিংকে ৫,০০০ জন পর্যন্ত। ক্লাসের পুরো গ্রুপ, হলের সবাই, আত্মীয়রাও খেলতে পারে। প্রত্যেকের স্কোর আলাদা করে স্কোরবোর্ডে জমা হয়, আর সবার শেষে তুমি দেখতে পাও কে প্রথম আর কে তলানিতে।

ফেক ফ্রেন্ড ফাইন্ডার আর আমাকে ব্লক করো না কুইজের মধ্যে কোনটা নেব?

দুটোর ভিত্তি এক: বন্ধুরা তোমার উত্তর অনুমান করে। ফেক ফ্রেন্ড ফাইন্ডার কাকে আসল বন্ধু বলা যায় সেটা দেখায়, আর এই কুইজ কম স্কোরকে ব্লক-মেসেজের নাটকে বদলে দেয়, সাথে অনেক বড় প্রশ্নভাণ্ডার। মজা চাইলে এটা, সিরিয়াস তালিকা চাইলে ওটা।

প্রশ্নগুলো কি আমি নিজে লিখতে পারি?

এখন না। সাইট তোমাকে ৬৬টির ভাণ্ডার থেকে ১০টি প্রশ্ন দেয়, তাই প্রতিটি কুইজ কিছুটা আলাদা হয়। অন্য প্রশ্ন চাইলে নতুন কুইজ বানাও, নতুন সেট আসবে। অন্য ধরনের প্রশ্ন চাইলে ফ্রেন্ডশিপ কুইজ দেখো।

আমাদের অন্য টেস্টগুলোও দেখো

সব কুইজ →